Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

বন্দরের নিয়ন্ত্রণাধীন বেঙ্গল শিপইয়ার্ড হইতে বেঙ্গল সিমেন্ট পর্যন্ত অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের নিয়ন্ত্রণাধীন বেঙ্গল শিপইয়ার্ড হইতে বেঙ্গল সিমেন্ট পয়েন্ট পর্যন্ত অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ।

#কোন প্রকার টেন্ডার ছাড়াই এই গুরুত্বপূর্ণ ঘাট পয়েন্টটি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে যুগ্ম পরিচালক মাসুদ কামাল সন্ত্রাসী শওকত  গ্রুপকে ইজারা পাইয়ে দেয়।

ইয়াদ রিপোর্ট।।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের নিয়ন্ত্রণাধীন বেঙ্গল শিপ ইয়ার্ড হইতে বেঙ্গল সিমেন্ট পর্যন্ত নদীর ঘাট পয়েন্টটি বন্দর ও পরিবহন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মাসুদ কামাল

মোটা অঙ্কের ঘুষ খেয়ে কোন প্রকারের টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই বার্থিং চাজ আদায়ের ইজারা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ শওকত মিয়া নামে একজনকে ইজারা পাইয়ে দেয়।

শওকত ৫০/৬০জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী নদীর এবং নদীর মাঝখানে মোতায়েন করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে  বাল্কহেড সহ বিভিন্ন প্রকার নৌ জান থেকে বাথিং চাজ বা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে।

উদাহরণস্বরূপ মোঃ নাসিরউদ্দীন, মাদবরচর, শরীয়তপুর। তিনি একজন বাল্কহেড চালক।

এই নাসিরুদ্দিনের কাছ থেকে শওকত বাহিনী মাসুদ কামাল এর নাম উল্লেখ করে জোরপূর্বক ৩০০০ টাকা টোলা আদায় করে যা সম্পূর্ণ বেআইনি।

এইভাবে প্রতিদিন মেঘনাঘাট নদীবন্দর শুল্ক আদায় কেন্দ্রের নামে ইজারাদার মোঃ  শওকত শতশত বাল্কহেড, টলার থামিয়ে জোরপূর্বক বার্থিং চার্জ আদায় করে আসছে।

ভুক্তভুগী টলার মালিক বাল্কহেড মালিক ও শ্রমিকরা জানায়,

নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দর বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মাসুদ কামাল একজন চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ ও ঘুষখোর।

সে পুরো এলাকায় নৈরাজ্য সৃষ্টি করে নদীবন্দরে মধ্যে চলাচলকারী নৌযান মালিক শ্রমিকদের মধ্যে একটি ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।


এ ব্যাপারে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান বরাবর মাসুদ কামালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পায়নি ভুক্তভোগী সাধারণমানুষ ।


একটি সূত্র জানায়, শওকত, গাজী মাহবুব, রনী, সাইফুল প্রমুখেরা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ।

তারা মাসুদ কামাল এর মাধ্যমে শুল্ক আদায় পয়েন্টটি ইজারা নিয়ে এখন বেঙ্গল শিপইয়ার্ড হইতে বেঙ্গল সিমেন্ট ঘাট পর্যন্ত নদীর উভয় তীরে শুল্ক আদায় পয়েন্ট হইতে অতিরিক্ত শুল্ক  আদায়ের নামে চাঁদাবাজি করছে।

দেখার যেন কেউ নেই।

অবিলম্বে মাননীয় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করে বেঙ্গল শিপইয়ার্ড হইতে বেঙ্গল সিমেন্ট পর্যন্ত  শুল্ক আদায় পয়েন্টটি বর্তমান ইজারাদারদের ইজারা বাতিল করে ওপেন টেন্ডার গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইজারাদার নিয়োগের জোর দাবি জানান এই নৌ রুটে চলাচলকারী নৌযান, বাল্ব হেড মালিক,শ্রমিক।

Post a Comment

0 Comments