Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

আদমজী ইপিজেডে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, সড়ক অবরোধ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বকেয়া পাওনার দাবিতে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার আদমজী ইপিজেডের সামনে একটি পোশাক কারখানার চাকরিচ্যূত শ্রমিকরা বকেয়া পাওনার দাবিতে ডেমরা-নারায়ণগঞ্জ সড়কে অবস্থান নিলে এ ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশ-সাংবাদিকসহ প্রায় ২০ জন আহত হয়েছে। এ সময় শ্রমিকরা টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে পুলিশ।


জানা যায়, মালিকপক্ষের দেওয়া সময় অনুযায়ী আদমজী ইপিজেডের প্রধান ফটকের সামনে ডেমরা-আদমজী-নারায়ণগঞ্জ সড়কে অবস্থান নেয় প্রায় দুই শতাধিক পোশাক শ্রমিক। শ্রমিকদের অভিযোগ, এ সময় ইপিজেডে নিয়োজিত আনসার সদস্যরা নারী ও পুরুষ শ্রমিকদের ওপর লাঠিচার্জ করে। 


পরে ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা সড়কে আগুন দিয়ে সড়ক অবরোধ করে। নারায়ণগঞ্জ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী ও সহকারী কমিশনার (সিদ্ধিরগঞ্জ সার্কেল) রেজা মোহাম্মদ মাসুম প্রধান মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের জন্য আন্দোলনরত শ্রমিকদের আশ্বাস দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু শ্রমিকরা তাদের কথা মেনে না নিয়ে আরো ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে।

একপর্যায়ে পুলিশ ও আনসারদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে শ্রমিকরা। এ সময় শ্রমিকরা ইটপাটকেল ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা টিয়ার শেল ও গুলি নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশ ও সাংবাদিকসহ প্রায় ২০ জন আহত হয়। পরে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।একপর্যায়ে পুলিশ ও আনসারদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে শ্রমিকরা। এ সময় শ্রমিকরা ইটপাটকেল ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা টিয়ার শেল ও গুলি নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশ ও সাংবাদিকসহ প্রায় ২০ জন আহত হয়। পরে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।


শ্রমিকরা অভিযোগ করে বলেন, প্রায়ই শ্রমিকদের সঙ্গে আনসার সদস্যরা অশালীন আচরণ ও নির্যাতন করে। বেপজার কর্মকর্তারা কারখানা মালিকদের পক্ষে কাজ করে। বেপজা-পুলিশ কারো কাছেই তারা বিচার পান না।

পোশাক শ্রমিক সাবরিনা আক্তার বলেন, আমি ছয় বছর এই কারখানায় কাজ করেছি। কিন্তু আমি আমার বকেয়া পাওনা এখনো পাইনি। ছয় বছরে প্রায় দুই লাখ টাকা জমেছে বলে এই নারীর শ্রমিকের দাবি। 


সহকারী কমিশনার (সিদ্ধিরগঞ্জ সার্কেল) রেজা মোহাম্মদ মাসুম প্রধান কালের কণ্ঠকে বলেন, শ্রমিকরা জানিয়েছে- মালিকপক্ষ তাদের বারবার সময় দিয়েও পাওনা পরিশোধ করছে না। শ্রমিকদের পাওনা আদায়ে মালিক পক্ষের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস দিলেও শ্রমিকরা তা মেনে নেয়নি।


নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী কালের কণ্ঠকে জানান, শ্রমিকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে সড়কে আগুন দিয়ে সড়ক অবরোধ করে এবং ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করে। পুলিশও ১২ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোড়ে এবং ১১টি টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং সড়কে যান চলাচল শুরু হয়।


বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন অথরিটির (বেপজা) জেনারেল ম্যানেজার আহসান কবির কালের কণ্ঠকে জানান, কারখানা বিক্রি করে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করবে বলে জানিয়েছে মালিক পক্ষ। তবে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে কোনো নির্ধারিত সময় বা তারিখ দেওয়া হয়নি।









Post a Comment

0 Comments